জিমির পর বল হাতে ভেলকি দেখান ক্যারিবিয়ান পেসাররা৷ চতুর্থমুখী পেস আক্রমণের বিরুদ্ধে মাত্র ৭৭ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস৷ এটি ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর ইংরেজদের৷ দুর্দান্ত বোলিং কেমার রোচের৷ মাত্র ১৭ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট নেন এই ক্যারিবিয়ান পেসার৷

বার্বাডোজে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে রোচ ছাড়াও দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন হোল্ডার ও জোসেফ অন্য উইকেটটি গ্র্যাবিয়েলের৷ চতুর্থমুখী পেস আক্রমণে মাত্র ৩০ ওভারেই শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস৷ ২১২ রানে এগিয়ে থেকেও ইংল্যান্ডকে ফলো-অন করায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ প্রথম ইনিংসে ২৮৯ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷

উদ্বোধনী জুটিতে ২৩ রান তোলে ইংলিশরা। এই রানে ফিরে যান কিয়েটন জেনিংস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। ৩৫ রানে দ্বিতীয়, ৪৪ রানে তৃতীয়, ৪৪ রানেই চতুর্থ, ৪৮ রানে পঞ্চম, একই রানে ষষ্ঠ, ৪৯ রানে সপ্তম, ৬১ রানে অষ্টম, ৭৩ রানে নবম ও ৭৭ রানে দশম উইকেট হারায় তারা।

মাত্র ২৭ বলের ব্যবধানে চার রান খরচ করে পাঁচটি উইকেট তুলে নেন রোচ৷ ক্যারিবিয়ান পেস ব্যাটারির সামনে মাত্র ৪৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ইংল্যান্ড৷ সেখান থেকে স্যাম কারেন ও আদিল রশিদ লড়াই করলেও ইংল্যান্ড একশোর গণ্ডি টপকাতে পারেনি৷

বৃহস্পতিবার কেনসিংটন ওভালের বাইশ গজে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ছিল ভয়ংকর৷ বাইশ গজে দাপট দেখান বোলাররা৷ সারাদিনে মোট ১৮টি উইকেট পড়ে৷ দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১২৭ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ প্রথম ইনিংসে ২১২ রানে এগিয়ে থাকায় ইতিমধ্যে ৩৩৯ রানের লিড ক্যারিবিয়ানদের সামনে৷ হাতে রয়েছে এখনও চার উইকেট৷ বল হাতে ইংল্যান্ডের মঈন আলী ৩টি, বেন স্টোকস ২টি ও স্যাম কুরান ১টি উইকেট নেন।

ক্যরিবিয়ান ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে দারুণ সফল জেমস অ্যান্ডারসন৷ ৪৬ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে ইংরেজ পেসার ইয়ান বোথামের রেকর্ড ছুঁলেন তিনি৷ তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ২৭বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে বোথামের রেকর্ড স্পর্শ করেন জিমি৷

বৃহস্পতিবার ৭৭ রানে অল আউট হওয়ার আগে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে তিনবার এর চেয়ে কম রানে অল-আউট হয়েছে ইংল্যান্ড৷ যার দুটি ছিল ক্যারিবিয়ানদের মাটিতে। যার প্রথমটি ১৯৯৪ সালে ত্রিনিদাদে মাত্র ৪৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড।এটিই ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের সর্বনিন্ম স্কোর ৫১৷ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জ্যামাইকায় তারা অলআউট হয়েছিল মাত্র ৫১ রানে। এছাড়া ১৮৮৭ সালে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫০ রানের আগেই গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড৷