আতঙ্কিত মহিলা ইশারায় বুঝিয়ে দিয়েছিলেন- আর এগিও না…গুলি চলছে ! সেই ইশারা বুঝেই মসজিদে না ঢুকে ফিরে চলে এসেছিলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা৷ ভিনদেশে সেই কিউই মহিলার বদান্যতায় বেঁচে গেল তাঁদের জীবন৷ ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত নিউজিল্যান্ড৷ মসজিদে চলেছে এলোপাথাড়ি গুলি৷ তাতে বাড়ছে নিহতের সংখ্যা৷ কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে ৷

গুলি-গোলার শব্দ পেয়ে তাঁরা পাশেই হ্যাগলি ওভাল স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়েন। তারপর সেখান থেকে ক্রিকেটারদের নিয়ে আসা হয় টিম হোটেলে। ক্রিকেটাররা সবাই সুরক্ষিত আছেন বলে জানানো হয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রীড়াঙ্গনের বেশ কিছু তারকা সমবেদনা ও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার জিমি নিশামের টুইট, ‘অনেক দিন থেকেই নানা ঘটনা দূর থেকে দেখে ভেবেছি, বিশ্বের এই কোণে আমরা একটু আলাদা, একটু নিরাপদ। আজকের দিনটা ভয়াবহ। ভীতিকর এবং দুঃখজনক।’

নিউজিল্যান্ড রাগবির মুসলিম তারকা খেলোয়াড় সনি বিল উইলিয়ামস টুইটারে এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘খবরটা শুনে ভাষাহীন হয়ে পড়েছি। শুনেছি প্রায় ৩০ জনের মতো নিহত হয়েছে। হতাহতের পরিবারের প্রতি দোয়া রইল। ইনশা আল্লাহ তোমরা সবাই স্বর্গে থাকবে এবং খুব দুঃখ লাগছে যে এটি নিউজিল্যান্ডে ঘটল।’

ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের টুইট, ‘মানবতার জন্য পৃথিবীর কোনো জায়গাই এখন আর নিরাপদ না। কারণ মানুষ-ই এই গ্রহের সবচেয়ে বড় শত্রু।’

শ্রীলঙ্কার তারকা অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের টুইট, ‘নিউজিল্যান্ডে হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে পড়েছি। হতাহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিরাপদে আছে জেনে স্বস্তি লাগছে।’

ভারতের ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হর্শা ভোগলে টুইট করেন, ‘নিউজিল্যান্ডে যখন আপনাকে সরাসরি গুলি থেকে বাঁচতে হয় তখন বুঝে নেবেন পৃথিবীটা মোটেও ভালো জায়গা নয়। বাংলাদেশ দল নিরাপদ আছে জেনে স্বস্তি লাগছে।’